রোববার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৪
Sunday, 14 April, 2024

যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাঙালিদের সাথে মতবিনিময় / স্মার্ট সিটি গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চাইলেন মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম

স্মার্ট সিটি গড়তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত প্রবাসী বাঙালিদের সহযোগিতা চাইলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। প্রবাসীদের উদ্দেশে মেয়র বলেন, 'আপনাদের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের দুয়ার ২৪ ঘণ্টা খোলা। যে কোন নতুন কনসেপ্ট আমাদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। প্রবাসে থেকেও করতে পারেন আবার কেউ চাইলে দেশে ফিরে কাজ করতে পারেন। আপনাদের সকলের সহযোগিতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট সিটি কর্পোরেশনের কাজ ডিএনসিসি থেকেই শুরু করতে চাই। গত ২৩ জানুয়ারী স্থানীয় সময় দুপুর ১২ টায় ফ্লোরিডায় বাংলাদেশ কনস্যুল জেনারেল অফিসে মতবিনিময়কালে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাঙালিদের উদ্দেশে ডিএনসিসি মেয়র এসব কথা বলেন। কনসাল জেনারেল ইকবাল আহমেদ এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সাজিয়া আফরীন, কাউন্সিলর মো. মতিউর রহমান, কাউন্সিলর ফরিদ আহমেদ, কাউন্সিলর মিতু আক্তার, এছাড়া ফ্লোরিডা ও আশপাশের সিটির আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীগণ। প্রবাসীদের পক্ষ থেকে অনেকেই দেশে তাদের মেধার বিকাশ তুলে ধরার সুযোগ চান। আমেরিকা প্রবাসী বাঙালিদের উদ্দেশে মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম বলেন, 'কোন কিছুর গবেষণা না থাকলে টেকসই উন্নয়ন হবে না। আমি আপনাদের সহযোগিতা চাই। ডিএনসিসিতে ট্যাক্স সেবা অনলাইনে শুরু হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন করতে অনেক কষ্ট হয়েছে। অনলাইন চালু হওয়াতে দুষ্টু লোকদের অবৈধ লেনদেন বঞ্চিত হয়েছে। তাই সেবাটি চালু করা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে অনেক কষ্ট করছেন। পদে পদে বাধা তারপরও চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আমরাও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাকে বাস্তবে রূপ দিতে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, 'রাজউক ও ডিপিডিসির ডাটা বেইজ সংগ্রহ করা হবে। সেই ডাটা বেইজ সমন্বয় করে বাসা বাড়ির সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করা হবে। তখন আর কেউ রাজস্ব ফাঁকি দিতে পারবে না। আমরা ট্রেড লাইসেন্স অনলাইনে চালু করেছি। রিকশার জন্য কিউআর কোড চালু করতে যাচ্ছি। আমরা অনেক কিছুতেই স্মার্ট বাংলাদেশের ছোয়া দিতে শুরু করেছি। স্মার্ট সিটি গড়তে আপনাদের সহযোগিতা লাগবে।' তিনি আরও বলেন, 'বিদেশের যে যেখানে গবেষণা কাজ করছেন বা যাই ভালো কিছু করছেন সবাই দেশের জন্য কিছু করতে চান। ডিএনসিসিতে যে কোন ভালো চর্চা যদি কেউ করতে চান সেই সুযোগ আমি দেবো। এমনও হতে পারে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আপনারা আমাদের পরামর্শ দিতে পারেন। আপনাদের সহযোগিতায় নগরবাসীর জন্য নতুন কিছু করতে চাই। দেশ আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে। সিটি আপনাদের দিকে তাকিয়ে আছে। যে কোন সময় নতুন কোন ধারণা থাকলে যোগাযোগ করবেন।' এসময় ডিএনসিসির প্রতিনিধি দলের যুক্তরাষ্ট্রে সফরের বিষয় উল্লেখ করে মেয়র বলেন, 'মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের অর্থায়নে আমরা ফ্লোরিডার মিয়ামিতে কয়েকদিন ধরে বেশ কিছু বিষয়ের উপর অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। এখানকার ভালো চর্চা দেশেও বাস্তবায়ন করতে চাই। আমরা এখানে শিখতে এসেছি, ঘুরতে নয়। প্রতিটি বিষয়ের উপর গুরুত্বসহকারে শেখানো হচ্ছে।' উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের অর্থায়নে নগর ব্যবস্থাপনায় আধুনিক পদ্ধতি, মশক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আহরণ পদ্ধতিসহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ নিতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের একটি প্রতিনিধি দল ফ্লোরিডার মিয়ামিতে সফরে রয়েছে। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম।
স্মার্ট সিটি গড়তে প্রবাসীদের সহযোগিতা চাইলেন মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম
স্মার্ট সিটি গড়তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত প্রবাসী বাঙালিদের সহযোগিতা চাইলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম। প্রবাসীদের উদ্দেশে মেয়র বলেন, 'আপনাদের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের দুয়ার ২৪ ঘণ্টা খোলা। যে কোন নতুন কনসেপ্ট
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার প্রতিহত করতে প্রবাসীদের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহবান
ডিজিটাল তথ্যসেবা ‘আমি প্রবাসী’কে বিদেশগামীদের কাছে পৌঁছে দেবে ব্র্যাক

বৈদেশিক কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সেবা আরও সহজ ও ডিজিটালাইজড করার লক্ষ্যে ‘আমি প্রবাসী ’ নামের একটি অ্যাপ চালু করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং বাংলা ট্র্যাক গ্রুপ।  প্রবাসীদের তথ্যসেবা দিতে এই অ্যাপটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম এবং বাংলা ট্র্যাকের মধ্যে একটি সমঝোতা স্বাক্ষর হয়েছে।    আজ মঙ্গলবার (২৯ জুন) ব্র্যাকের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ এবং বাংলা ট্র্যাকের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক নামির আহমেদ এতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় বাংলা ট্র্যাকের চিফ অপারেটিং অফিসার সামিউল ইসলাম, ব্যবসায়িক প্রধান তানভীর সিদ্দিক ও ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। গত ৮ই মে আমি প্রবাসী নামের অ্যাপটির উদ্বোধন করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ। অনুষ্ঠানে বাংলা ট্র্যাক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তারেক একরামুল হক জানান, যে কোনো বিদেশগামী নিজের মোবাইল নম্বর কিংবা ইমেইল আইডি দিয়ে নিবন্ধন করেই এই অ্যাপের সেবা নিতে পারবেন। মাত্র পাঁচটি ধাপে সম্পন্ন করা যায় রেজিস্ট্রেশন। চাকরি নিয়ে বিদেশে যেতে আগ্রহীরা অনলাইনে নিবন্ধন, ‍বিদেশে চাকরি খুঁজে আবেদনের সুযোগ, অনুমোদিত রিকরুটিং এজেন্সি, পাসপোর্ট অফিস ও মেডিকেল সেন্টারসমূহের তালিকা, বিদেশযাত্রার ধাপসমূহ ও দেশভিত্তিক নিয়মাবলী সম্পর্কে সহজে তথ্য পাবেন ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপের মাধ্যমে। এই অ্যাপ সম্পর্কে বিদেশগামীদের অবহিত করা ও সেবাসমূহ প্রান্তিক জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে কাজ করবে ব্র্যাক । অনুষ্ঠানে আসিফ সালেহ বলেন, সঠিক তথ্য না পাওয়ার কারণে অভিবাসী কর্মীরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হন। প্রতারিত হন নানাভাবে। আমরা বিদেশগামীদের সচেতন ও দক্ষ করে বিদেশে পাঠানোর জন্য অনেকদিন ধরে কাজ করছি। এই অ্যাপটি ব্যবহার করে প্রবাসীরা সঠিক তথ্য পাবেন। অভিবাসীদের কাছে অ্যাপটির যথাযথ ব্যবহার ও সেবাগুলো নিশ্চিত করতে কাজ করবে ব্র্যাক। বাংলা ট্র্যাকের পরিচালক নামির আহমেদ বলেন, বিদেশে চাকরির প্রক্রিয়াকে ডিজিটালাইজ করার জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত একটি উদ্যোগ ‘আমি প্রবাসী’। এই অ্যাপে বৈধভাবে বিদেশযাত্রার সকল ধাপের বর্ণনা আছে। পাশাপাশি নিজের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, পাসপোর্টের কপি, চাকরির অনুমতিমত্র এবং জাতীয় পরিচয়পত্র স্ক্যান করে সংরক্ষণের সুবিধাও আছে। কোথাও কোনো সমস্যায় পড়লে কোন দেশে কার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে তার বিস্তারিত তথ্য ও ইমেইল ঠিকানাও পাওয়া যাবে এই অ্যাপে। আমরা আশা করছি ব্র্যাকের মাধ্যমে আমরা অ্যাপটিকে কাযর্কর করতে পারব। প্লে স্টোর থেকে যে কেউ ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপটি ডাউনলোড করতে পারবেন। এরপর চালু করে বাংলা কিংবা ইংরেজি ভাষা নির্বাচন করতে হবে। মোবাইল নম্বর কিংবা ইমেইল আইডি উল্লেখ করতে হবে। ফোন নম্বর দেওয়া হলে মোবাইলে তাৎক্ষণিক একটি কোড আসবে। সেটি অ্যাপে প্রবেশ করানোর পর কমপক্ষে ৩টি দেশ নির্বাচন করতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যসহ ২৩টি দেশের কথা সেখানে উল্লেখ করা থাকলেও ‘অন্যান্য দেশসমূহ’ নামের সেকশনে প্রবেশ করলে আরও তালিকা পাওয়া যাবে। এই ধাপের পর আসবে আপনার বিষয়গত কারিগরি দক্ষতার ধাপএখানে শ্রমিক, ক্লিনার, ইলেকট্রিশিয়ান, ড্রাইভার, শেফ, কন্সট্রাকশন ওয়ার্কারসহ আরও কতোগুলো অপশন আছে। যিনি যে কাজে দক্ষ সেটা নির্বাচন করে যেতে পারবেন পরের ধাপে। এখানে লিঙ্গও উল্লেখ করতে হবে। তারপর বিদেশে কাজের অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রদান করলে মূল অ্যাপে প্রবেশ করা যাবে। ‘আমি প্রবাসী’ অ্যাপের মধ্যে আবেদন প্রক্রিয়া, চাকরি খোঁজাসহ আবেদনের অগ্রগতি এবং গন্তব্যে পৌঁছানোর পর কী কী করতে হবে তা জানা যাবে। তবে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু না করে কিংবা এর মাধ্যমে বিএমইটি ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত না হলে অন্য সেবা পাওয়া যাবে না। এ ছাড়া প্রবাসী কর্মীদের জন্য নিকটস্থ পাসপোর্ট অফিস, রিক্রুটিং এজেন্সি, জেলা জনশক্তি অফিস, মেডিক্যাল সেন্টার, প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহ (টিটিসি) জিপিএস-এর মাধ্যমে দেখা যাবে। নির্দিষ্ট অফিসের ঠিকানায় কিংবা নামে ক্লিক করলে ম্যাপে সেটার অবস্থান দেখা যাবে। তাছাড়া এই অ্যাপে বৈধভাবে বিদেশ যাত্রার ধাপগুলোর একটি তালিকাও করে দেওয়া আছে।...

More News