শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬
Saturday, 13 June, 2026
ঝিলমিল প্রকল্পে দ্রুত সময়ে বাড়ি করার পরিবেশ তৈরিতে কাজ করা হচ্ছে-গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, মানুষ যেন এক বছরের মধ্যে ঝিলমিল প্রকল্পে বাড়ি ঘর করতে পারেন, সেই সুবিধা করে দিতে কাজ করা হচ্ছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী আজ ঢাকার

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ ও রাশিয়া

বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে হালাল পণ্যের বড় সম্ভাবনা

জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে পরের ধাপে নিতে চায় তুরস্ক

ভারত ও বাংলার একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা: ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে পা রেখে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নিতে মিলেমিশে কাজ করার বার্তা দিয়েছেন। বলেছেন, দুই দেশের জনগণের জন্য যা ভালো হয় আগামী দিনে তা–ই করা হবে। আজ শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে সড়কপথে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন দীনেশ ত্রিবেদী। এ সময় বেনাপোল নো ম্যান্স ল্যান্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভারতীয় দূতাবাস ও বেনাপোল স্থলবন্দরের কর্মকর্তারা তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী মৃণাল ত্রিবেদী ছিলেন। পরে সড়কপথে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন। 'ভারত ও বাংলার একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা। আমার তো মনে হচ্ছে না, আমি বাংলাদেশে এসেছি। ভারতের ১৪০ কোটি আর বাংলাদেশের ২০ কোটি, এই ১৬০ কোটি জনগণের জন্য যা ভালো হয় সেটাই করা হবে।' -দীনেশ ত্রিবেদী, বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার এ সময় বাংলাদেশি সাংবাদিকদের দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, টেকনোলজি ইনোভেশন (প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন) যা হচ্ছে, তা ভারত–বাংলাদেশ মিলেই হচ্ছে। একটা ক্রিকেট দল যদি মিলেমিশে হয় তাহলে কত ভালো হবে। খেলাধুলা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, টেকনোলজি সব মিলেমিশে কাজ করব। এ জন্য উভয় পক্ষের সমর্থন থাকতে হবে। এ সময় ‘পুশ ইন’ নিয়ে সীমান্তে উত্তাপ এবং ভ্রমণ ও বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার প্রশ্নে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘ভারত ও বাংলার একই আকাশ, একই বাতাস, একই যন্ত্রণা। আমার তো মনে হচ্ছে না, আমি বাংলাদেশে এসেছি। ভারতের ১৪০ কোটি আর বাংলাদেশের ২০ কোটি, এই ১৬০ কোটি জনগণের জন্য যা ভালো হয় সেটাই করা হবে। দুই দেশের জন্য ভালো হয় সেই পদক্ষেপ সামনের দিনে নেব।’ গত এপ্রিল মাসে ভারত সরকার ভারতের সাবেক রেলমন্ত্রী ও ব্যারাকপুরের সাবেক এমএলএ বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশের ১৮তম হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হলেন। কূটনীতিক প্রণয় ভার্মা। তাঁকে এরই মধ্যে বেলজিয়াম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ভারতের কূটনৈতিক প্রথায় সাধারণত অভিজ্ঞ ইন্ডিয়ান ফরেন সার্ভিস (আইএফএস) কর্মকর্তাদের হাইকমিশনার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। দীনেশ ত্রিবেদীর ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটল।  দুই দেশের ৫৫ বছরের সম্পর্কের ইতিহাসে ভারত এই প্রথম কোনো রাজনীতিবিদকে হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে পাঠাল। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে গভীর ধারণার কারণে ৭৫ বছর বয়সী দীনেশ ত্রিবেদীকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে পাঠিয়েছে ভারত সরকার। গুজরাটি ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য হলেও ঝরঝরে বাংলা বলতে পারেন তিনি। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে তিনি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। একসময় সর্বভারতীয় রাজনীতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূত ছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী। ২০১৬ সালের পর তাঁদের সম্পর্কে অবনতি ঘটতে শুরু করে। শেষমেশ ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ দুই দেশের মধ্য চলমান সীমান্ত উত্তাপ বন্ধ, ভিসা ও বাণিজ্য সহজীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ঝিলমিল প্রকল্পে দ্রুত সময়ে বাড়ি করার পরিবেশ তৈরিতে কাজ করা হচ্ছে-গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের বলেছেন, মানুষ যেন এক বছরের মধ্যে ঝিলমিল প্রকল্পে বাড়ি ঘর করতে পারেন, সেই সুবিধা করে দিতে কাজ করা হচ্ছে। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী আজ ঢাকার

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বৈশ্বিক পর্যায়ে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ ও রাশিয়া

বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে হালাল পণ্যের বড় সম্ভাবনা

জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে পরের ধাপে নিতে চায় তুরস্ক

ঝিলমিল প্রকল্পে দ্রুত সময়ে বাড়ি করার পরিবেশ তৈরিতে কাজ করা হচ্ছে-গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী
নয়াদিল্লিতে বিজিবি-বিএসএফ সীমান্ত সম্মেলন শুরু ৮ জুন
তোফায়েল আহমেদ আর নেই
গ্রেপ্তার থাকা সাংবাদিকদের কারো কারো মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় আছে: জাহেদ উর রহমান
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দুই দিনের সফরে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে পালাম বিমানবন্দরে স্বাগত জানান। আজ রাতেই তাঁরা এক নৈশভোজে অংশ নেবেন।
দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ বৃহস্পতিবার ভারত যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্বের ২৫তম বার্ষিকী উদযাপন করতেই মূলত পুতিনের এ সফর। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য স্টেটসম্যানের প্রতিবেদনের তথ্য
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সফরকে কেন্দ্র করে যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনাসহ ভারত–রাশিয়া সামরিক সহযোগিতায় নতুন আলোচনা শুরু হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের চাপ থাকা সত্ত্বেও ভারতের সামরিক সরঞ্জামের বড় অংশ এখনো
দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকার সূত্রটা কী? এককথায় মাহাথির মোহাম্মদের জবাবটা হলো, শরীর ও মন—দুটিকেই সব সময় কাজের মধ্যে রাখতে হবে। তাহলেই মিলবে দীর্ঘ জীবন। তিনি নিজেও এর ব্যতিক্রম নন। সুস্থতা
আফ্রিকার দেশ উগান্ডায় আগামী বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ওই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট ইয়াওয়েরি মুসোভেনি। এর মধ্য দিয়ে মুসোভেরি দেশটিতে তাঁর প্রায় চার দশকের শাসনামল
সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক ঘোষণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরায়েল ও ইরান একটি 'সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক' যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। নিজের ট্রুথ সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, আগামী
রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকায় রুশ ঐতিহ্য আবিষ্কার: মাতরিয়োশকা ডল পেইন্টিং মাস্টার ক্লাস অনুষ্ঠিত
রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকায় রুশ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পের সঙ্গে অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় করিয়ে দিতে এক প্রাণবন্ত ও সৃজনশীল মাতরিয়োশকা ডল পেইন্টিং মাস্টার ক্লাসের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় সেরোভ একাডেমী অব ফাইন আর্টসের সহযোগিতায়। সেরোভ একাডেমী অব ফাইন আর্টসের সদস্যসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী এই সৃজনশীল কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা প্যাস্টেল, জলরং ও পোস্টার কালারের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী রুশ মাতরিয়োশকা পুতুল রঙ করার কৌশল শিখেন। পুরো কর্মশালাজুড়ে ছিল প্রাণবন্ত ও অনুপ্রেরণাময় পরিবেশ, যেখানে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সঙ্গে নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশের পাশাপাশি মাতরিয়োশকা পুতলের ইতিহাস, প্রতীকী তাৎপর্য এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারেন। এই ব্যতিক্রমধর্মী মাস্টার ক্লাসটি সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে, যা সৃজনশীল শিক্ষার প্রসারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
২২ মে, ২০২৬
“ফ্রেমস অব মেমোরি” চলচ্চিত্র উৎসবে মুগ্ধ বাংলাদেশের হাজারো শিক্ষার্থী
ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাশিয়ান হাউসের আয়োজনে ঢাকায় চলচ্চিত্র উৎসব শুরু
সেরোভ একাডেমি অব ফাইন আর্টস-এর আয়োজনে দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হলো বর্ণাঢ্য “বৈশাখী শিশু উৎসব ২০২৬”

আর. পি. সাহা ইউনিভার্সিটি (আরপিএসইউ) তে চীন-রাশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্বের ৩০ বছরপূর্তি উপলক্ষে চলচ্চিত্র উৎসব

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকা চীন-রাশিয়া কৌশলগত অংশীদারিত্বের ৩০ বছরপূর্তি উপলক্ষে একটি চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন করেছে, যার প্রথম দিনের আয়োজন অনুষ্ঠিত হয় আর. পি. সাহা ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে। অনুষ্ঠানে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন, যা চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক সংলাপ এবং আন্তর্জাতিক বোঝাপড়া জোরদারের লক্ষ্যে এক প্রাণবন্ত সূচনা হিসেবে চিহ্নিত হয়। উদ্বোধনী পর্বে বক্তব্য প্রদান করেন অধ্যাপক ড. মণীন্দ্র কুমার রায়, উপাচার্য, আরপিএসইউ, আলেকজান্দ্রা খ্লেভনই, পরিচালক, রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকা, এবং লি শাওপেং, সাংস্কৃতিক কাউন্সেলর, গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের দূতাবাস। মিস খ্লেভনয় তার বক্তব্যে রাশিয়া-চীন কৌশলগত অংশীদারিত্বের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং গত ৩০ বছরের উন্নয়ন, পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও বহুমুখী বিশ্বব্যবস্থার অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি রাশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক, বিশেষত জ্বালানি, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রেও আলোকপাত করেন। মি. লি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিশেষ বক্তব্য প্রদান করেন, যেখানে তিনি সাংস্কৃতিক সহযোগিতা এবং জনগণ-জনগণের সংযোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। উদ্বোধনী পর্ব শেষে প্রদর্শিত হয় “রেড সিল্ক” একটি রাশিয়ান চলচ্চিত্র যা সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ তুলে ধরে, এবং “আই অ্যাম হোয়াট আই অ্যাম” একটি চীনা অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র যা অধ্যবসায় ও আত্মপরিচয়ের গল্প তুলে ধরে। এই উৎসব বিভিন্ন দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এসএএবি ও রাশিয়ান হাউস আয়োজন করল পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে সোভিয়েত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ  (এসএএবি) এবং রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকা-এর যৌথ উদ্যোগে রাশিয়ান হাউস প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৭ এপ্রিল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শুরুতে প্রাঙ্গণে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যেখানে সোভিয়েত ও রাশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন একটি বর্ণিল সমাবেশে। অতিথিরা দেশীয় ও রাশিয়ান বিভিন্ন ধরনের পিঠা আস্বাদন করেন, যা দুই দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটায় এবং একটি উষ্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে। মূল অনুষ্ঠানটি রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকা-এর অডিটোরিয়ামে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে শুরু হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকা-এর পরিচালক মিসেস আলেকজান্দ্রা খ্লেভনই, এসএএবি -এর সাধারণ সম্পাদক স্থপতি মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, এসএএবি -এর সভাপতি অধ্যাপক (ড.) মিজানুর রহমান এবং ও সহ-সভাপতি ডা. হামিদা মাইদার। আলেকজান্দ্রা খ্লেভনই তাঁর বক্তব্যে উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানান এবং বলেন যে এই আয়োজনটি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষকে একীভূত করেছে। তিনি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে এটিকে আশা ও ঐতিহ্যের সময় হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বাংলাদেশের নারীদের সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, সোভিয়েত ও রাশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের উপস্থিতি দুই দেশের মধ্যে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে। রাশিয়ান শিক্ষা শুধু পেশাগত দক্ষতা প্রদান করে না, বরং শিক্ষার্থীদের রাশিয়ার সংস্কৃতি ও ভাষার সঙ্গে যুক্ত করে। তিনি শিক্ষাগত সহযোগিতার মাধ্যমে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং অ্যালামনাইদের অর্জন ও রাশিয়ান হাউসের সঙ্গে তাদের অবিচ্ছিন্ন সম্পর্কের জন্য গর্ব প্রকাশ করেন। আগামী বছরের জন্য সবার সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি। আলোচনা শেষে রাশিয়ান ও বাংলাদেশি সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অ্যালামনাই সদস্য ও তাদের সন্তানরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থিত সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়। এই আয়োজন বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে, যা শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক মানুষে-মানুষে সংযোগের মাধ্যমে আরও গভীর হচ্ছে।

ঢাকায় রাশিয়ান হাউসে গ্যাগারিন সায়েন্স ফেস্টিভ্যাল ২০২৬ উদ্বোধন

ঢাকায় রাশিয়ান হাউসে ইউরি গ্যাগারিন সায়েন্স ফেস্টিভ্যাল ২০২৬ উদ্বোধন করা হয়েছে। মানব ইতিহাসের প্রথম মহাকাশযাত্রার ৬৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে এই উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।  ঐতিহাসিক প্রথম মহাকাশ যাত্রাটি সম্পন্ন করেন ইউরি গ্যাগারিন। উদ্বোধনী বক্তব্যে মিস আলেকজান্দ্রা খ্লেভনয় উপস্থিত সম্মানিত অতিথিদের স্বাগত জানান এবং ১২ এপ্রিল ১৯৬১ সালে গাগারিনের ঐতিহাসিক মহাকাশযাত্রার বৈশ্বিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই যাত্রা মহাকাশ যুগের সূচনা করে এবং মানব অর্জনের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, গাগারিনের উত্তরাধিকার আজও তরুণ প্রজন্মকে কৌতূহল, সাহস ও বৈজ্ঞানিক উদ্দীপনায় অনুপ্রাণিত করে। একই সঙ্গে তিনি রাশিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরেন—যার মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প এবং রাশিয়া ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৬,০০০-এর বেশি বাংলাদেশি গ্র্যাজুয়েটের অবদান উল্লেখযোগ্য। তিনি শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিজ্ঞানে আগ্রহী হতে, নতুন দিগন্ত অন্বেষণে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করেন এবং বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনসহ সকল অংশগ্রহণকারী ও অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তিনি তরুণদের রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকার মাধ্যমে রাশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জ্যোতির্বিজ্ঞান ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ অন্বেষণের আহ্বান জানান। এই উৎসবটি বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় যৌথভাবে আয়োজিত হয়েছে এবং এক সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে বৈজ্ঞানিক কৌতূহল, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তা বিকাশের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। উদ্বোধনী দিনে “ইউরি গাগারিন – মহাকাশে প্রথম মানব” শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিজ্ঞানীদের ভাস্কর্য প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। এছাড়াও VII আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব “Tsiolkovsky” থেকে নির্বাচিত চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়, যার মধ্যে ছিল প্রামাণ্যচিত্র “Gagarin. Embracing the World” এবং অ্যানিমেটেড সিরিজ “The Flying Story” । এদিন আলবার্ট আইনস্টাইন-এর ওপর আরিফ আসগরের উপস্থাপনায় একটি বিজ্ঞান বিষয়ক সেমিনার এবং স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান জনাব মশিউর আমিন Yuri Gagarin-এর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাকে “বিশ্ব নায়ক” এবং মানব সাহস ও অনুসন্ধানের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানের শেষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করা হয় এবং টেলিস্কোপের মাধ্যমে আকাশ পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যক্রম সমাপ্ত হয়। উল্লেখ্য, ইউরি গাগারিন আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং বিজ্ঞানীদের ভাস্কর্য প্রদর্শনী ১০ এপ্রিল থেকে ১৬ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।