বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬
Thursday, 13 August, 2026
দুই বছরে ঢাকা সিটির চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব :ডিএসসিসি প্রশাসক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, জনগণ, গণমাধ্যম ও সিটি করপোরেশন একসঙ্গে কাজ করলে আগামী দুই বছরে ঢাকা শহরের চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব। এ সময় তিনি বলেন, নগরের

তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফর ও ব্রিকস সম্মেলন দুটোতেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: জয়সোয়াল

সমতার ভিত্তিতে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দু'দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সৌদি আরবে সোফা কারখানায় আগুনে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু

এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ, এগিয়ে ছাত্রীরা

মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আমেরিকান বিনিয়োগকারীদের সরকারি সহায়তা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে নিজের দপ্তরে ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ৫০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন এক্সিলারেট এনার্জির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ কমার্শিয়াল অফিসার অলিভার সিম্পসন এবং ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেশপ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ছয় মাসের এই দূরদর্শী সরকার চায়, মার্কিন কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুক এবং তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করুক। আমরা আপনাদের পুঁজি, প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বৈশ্বিক অভিজ্ঞতাকে স্বাগত জানাই।’ বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সরকার নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সহজ করা, ব্যবসাবান্ধব বাজেট এবং উদার অর্থনৈতিক ও রাজস্ব নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। ব্যবসাবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো বেসরকারি খাতনির্ভর একটি নিয়মভিত্তিক ও বৈশ্বিকভাবে সংযুক্ত অর্থনীতি গড়ে তোলা। আমরা চাই, এই রূপান্তরে মার্কিন ব্যবসাগুলো আমাদের অংশীদার হোক।’ জ্বালানি, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, অর্থ, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, উৎপাদন ও লজিস্টিকস খাতে মার্কিন ব্যবসার জন্য বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য সুযোগ রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, সরকার বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা জোরদার, বিধিবিধান সহজীকরণ, কর ও ভ্যাট প্রশাসনের উন্নতি, মুনাফা প্রত্যাবাসন সহজ করা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো এবং সরকারি সেবার ডিজিটালাইজেশনে কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অবকাঠামো, বন্দর, লজিস্টিকস ও জ্বালানি নিরাপত্তারও উন্নতি করছি। একই সঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও আধুনিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করছি।’ সফররত মার্কিন ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ আমার বার্তা খুবই সহজ। সরকার বাংলাদেশে তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থের বিষয়ে শুনতে, সাড়া দিতে এবং সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। আপনারা পুরো সরকারকেই আপনাদের অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করুন। আমরা আপনাদের কথা শুনতে, সাড়া দিতে এবং সহযোগিতা করতে এখানে আছি।’ সরাসরি বিনিয়োগ, যৌথ উদ্যোগ, সরকারি–বেসরকারি অংশীদারত্ব ও পরামর্শক সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী ও পারস্পরিক লাভজনক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়।’ তারেক রহমান বলেন, সরকার দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের রপ্তানি–আমদানি সম্পর্ক আরও জোরদারে কাজ করছে। একই সঙ্গে দুই দেশের অভিন্ন বৃহত্তর কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্বকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অগ্রাধিকার খাতে লক্ষ্যভিত্তিক প্রণোদনা এবং দক্ষতা ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উৎপাদন ও বিনিয়োগের কেন্দ্রে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’ মার্কিন বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাদের উদ্দেশ্য শুধু বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা নয়; বরং একটি দীর্ঘস্থায়ী ও পারস্পরিক লাভজনক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলা।’ প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, রাজনীতিতে আসার আগে তিনি নিজেও একজন ব্যবসায়ী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। ফলে ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য সঠিক নীতি ও অনুকূল পরিবেশের গুরুত্ব তিনি বোঝেন। সফররত ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ আমার বার্তা খুবই সহজ। সরকার বাংলাদেশে তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থের বিষয়ে শুনতে, সাড়া দিতে এবং সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। আপনারা পুরো সরকারকেই আপনাদের অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করুন। আমরা আপনাদের কথা শুনতে, সাড়া দিতে এবং সহযোগিতা করতে এখানে আছি।’ মার্কিন কোম্পানিগুলোকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিনিয়োগ ও দীর্ঘ মেয়াদে ব্যবসা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ ধরনের বিনিয়োগ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে সহায়তা করবে।’ তিনি বলেন, ‘আসুন, আমরা একসঙ্গে প্রবৃদ্ধি অর্জন করি এবং একটি সমৃদ্ধ, প্রতিযোগিতামূলক ও বৈশ্বিকভাবে সংযুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’ প্রতিনিধিদলটি এর আগে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসার সুযোগ নিয়ে কয়েকজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, এসব বৈঠক বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকার ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা সম্পর্কে সফররত ব্যবসায়ী নেতাদের আরও স্পষ্ট ধারণা দিয়েছে বলে আশা করছেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি আপনাদের সবার সফল সফর কামনা করছি। আর এ জন্য আমার সরকার সব ধরনের সম্ভাব্য সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।’ ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন মাস্টারকার্ডের গ্লোবাল পাবলিক পলিসি ও ইন্দো–প্যাসিফিক পলিসি অপারেশনসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রবি অরোরা, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা, মেটার দক্ষিণ এশিয়ার পাবলিক পলিসি পরিচালক চা ইউয়েন টিং, মেটা বাংলাদেশের হেড অব পাবলিক পলিসি রুজান সারওয়ার, ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিলের মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক নির্বাহী পরিচালক কেভিন রোপকে, ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিলের বাংলাদেশ কান্ট্রি টিম লিড খবিবুর রহমান, ভিসার ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার গভর্নমেন্ট অ্যাফেয়ার্স বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান আনন্দ বিজয় ঝা এবং ভিসার বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ। বৈঠকে বক্তব্য দেন বোয়িংয়ের দক্ষিণ এশিয়া ও ভারতের প্রেসিডেন্ট এবং বোয়িং গ্লোবালের ভাইস প্রেসিডেন্ট সলিল গুপ্তে, শেভরন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রেসিডেন্ট শু শিয়ং, মেটলাইফের বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, নেপাল ও ভিয়েতনাম অঞ্চলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এলেনা বুতারোভা, উবারের এশিয়া–প্যাসিফিক অঞ্চলের পাবলিক পলিসি অ্যান্ড গভর্নমেন্ট রিলেশনস বিভাগের প্রধান পিয়া ব্রুনার এবং ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার নির্বাহী পরিচালক সিদ্ধান্ত মেহরা। এ ছাড়া প্রতিনিধিদলে ছিলেন ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ডিরেক্টর প্যাট্রিক পিটস, ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক পরিচালক উদয়া অরুণ, ইউএস–বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের পরিচালক দেবী চ্যাটার্জি ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সিকিউরিটি কনসালট্যান্ট শেমেই লেভি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব–২ মো. মেহেদুল ইসলাম, উপ–প্রেস সচিব–১ জাহিদুল ইসলাম রনি প্রমুখ।
দুই বছরে ঢাকা সিটির চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব :ডিএসসিসি প্রশাসক
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, জনগণ, গণমাধ্যম ও সিটি করপোরেশন একসঙ্গে কাজ করলে আগামী দুই বছরে ঢাকা শহরের চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব। এ সময় তিনি বলেন, নগরের

তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফর ও ব্রিকস সম্মেলন দুটোতেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে: জয়সোয়াল

সমতার ভিত্তিতে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে দু'দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সৌদি আরবে সোফা কারখানায় আগুনে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যু

এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ, এগিয়ে ছাত্রীরা

দুই বছরে ঢাকা সিটির চেহারা পাল্টে দেওয়া সম্ভব :ডিএসসিসি প্রশাসক
এসএসসি ও সমমানে পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ, এগিয়ে ছাত্রীরা
ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন কর্মসূচি / রাজধানীতে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমান ট্রাক সংগীতের আয়োজন
মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র উত্তেজনা ও সংঘাতের মধ্যেই সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক আজ শুক্রবার একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে। সৌদি আরবের পবিত্র শহর মক্কায় এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়েছে। চুক্তিতে
যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন লেবার পার্টির নবনির্বাচিত নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। আজ সোমবার রাজা তৃতীয় চার্লসের কাছ থেকে সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ গ্রহণের পর তিনি বাকিংহাম প্যালেস থেকে ১০ নম্বর ডাউনিং
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দুই দিনের সফরে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছেছেন। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁকে পালাম বিমানবন্দরে স্বাগত জানান। আজ রাতেই তাঁরা এক নৈশভোজে অংশ নেবেন।
দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে আজ বৃহস্পতিবার ভারত যাচ্ছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্বের ২৫তম বার্ষিকী উদযাপন করতেই মূলত পুতিনের এ সফর। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য স্টেটসম্যানের প্রতিবেদনের তথ্য
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সফরকে কেন্দ্র করে যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনাসহ ভারত–রাশিয়া সামরিক সহযোগিতায় নতুন আলোচনা শুরু হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের চাপ থাকা সত্ত্বেও ভারতের সামরিক সরঞ্জামের বড় অংশ এখনো
দীর্ঘদিন সুস্থভাবে বেঁচে থাকার সূত্রটা কী? এককথায় মাহাথির মোহাম্মদের জবাবটা হলো, শরীর ও মন—দুটিকেই সব সময় কাজের মধ্যে রাখতে হবে। তাহলেই মিলবে দীর্ঘ জীবন। তিনি নিজেও এর ব্যতিক্রম নন। সুস্থতা
 নিউ ইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে শাকিব খান সেরা অভিনেতা ও বুবলী সেরা অভিনেত্রী নির্বাচিত
প্রথমবারের মতো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সোমবার শেষ হলো চারদিনের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ‘নিউইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’। জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে আয়োজিত এই উৎসবটি প্রবাসী বাংলাদেশি দর্শকসহ স্থানীয় চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক উন্মাদনা ও সাড়া ফেলে। প্রিয়জন ফিল্মস ও লেমন স্টুডিওর যৌথ উদ্যোগে এবং আমেরিকান বাংলাদেশি প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় এই উৎসবের আয়োজন করা হয়। এছাড়া পুরো আয়োজনের অন্যতম প্রধান স্পন্সর ছিল ‘অল কাউন্টি হোম কেয়ার’। অলিভ আহমেদ, লিটু আনাম, পিকলু চৌধুরী ও তানভীর সানির অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আয়োজিত এই প্রথম আসরটি আমেরিকায় প্রবাসী দর্শকদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে। উৎসবের প্রথম তিন দিনে বাংলাদেশ ও উত্তর আমেরিকার নির্মাতাদের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, তথ্যচিত্র এবং পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়। প্রবাসী দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি প্রমাণ করেছে যে ভিনদেশে থেকেও দেশের সিনেমার প্রতি তাদের ভালোবাসা আজও অটুট। সমাপনী অনুষ্ঠানে ছিল বর্ণাঢ্য রেড কার্পেট, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং পুরস্কার বিতরণী পর্ব। এই আয়োজনে অংশ নেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক জায়েদ খান, কাজী মারুফ, ইমন, সজল, চিত্রনায়িকা বিন্দু এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রতিক হাসান। প্রিয় তারকাদের সামনাসামনি দেখতে পেরে উচ্ছ্বসিত ছিলেন প্রবাসীরা। এবারের উৎসবে ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের সেরা চলচ্চিত্র, নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীদের বিভিন্ন বিভাগে সম্মাননা প্রদান করা হয়। প্রিয়তমা সিনেমায় অসামান্য অভিনয়ের জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন শাকিব খান ও সেরা চলচ্চিত্র প্রিয়তমা। দেয়ালের দেশ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন‍্য সেরা অভিনেত্রী নির্বাচিত হয়েছেন শবনম বুবলী এবং ১৯৭১ সেই সব দিন নির্মাণের জন‍্য সেরা পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন হৃদি হক। এছাড়া আরো যাঁরা পুরস্কৃত হয়েছেন তাঁরা হলেন সেরা পার্শ অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী (তুফান), সেরা পার্শ অভিনেত্রী সানজিদা প্রীতি (১৯৭১ সেইসব দিন), শ্রেষ্ঠ ওয়েব ফিল্ম কাছের মানুষ দূরে থুইয়া ও পরিচালক শিহাব শাহীন, সেরা অভিনেতা (ওয়েব ফিল্ম) মামুনুন ইমন (মায়া), সেরা অভিনেত্রী (ওয়েব ফিল্ম) আফসান আরা বিন্দু (উণিশ ২০), শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী কাজী আরিশা (গ্রীন কার্ড) ও নৈঋতা হাসিন রৌদ্রময়ী (জংলী), শ্রেষ্ঠ গায়ক বালাম (প্রিয়তমা- ও প্রিয়তমা) ও প্রীতম হাসান (লাগে উড়া ধুরা- তুফান), শ্রেষ্ঠ গায়িকা অবন্তি সিঁথি (সুড়ঙ্গ- গা ছুঁয়ে বলো), শ্রেষ্ঠ কহিনিকার ড. ইনামুল হক (১৯৭১  সেই সব দিন), শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার, নাজিম উদ দৌলা ও রাহয়ান রাফী (সুড়ঙ্গ), শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক সুমন সরকার (সুড়ঙ্গ) ও সাহেল রনি (দেয়ালের দেশ), শ্রেষ্ঠ সম্পাদক সিমিত রায় অন্তর (সুড়ঙ্গ), কামরুজ্জামান রনি (১৯৭১- সেই সব দিন), শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক রিপন নাথ (তুফান), শ্রেষ্ঠ গীতিকার আসিফ ইকবাল (মেঘের নৌকা- প্রহেলিকা) ও সোমেশ্বর অলি (ঈশ্বর- প্রিয়তমা), শ্রেষ্ঠ সুরকার প্রিন্স মাহমুদ (ঈশ্বর- প্রিয়তমা), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক ইমন সাহা (প্রহেলিকা) শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র লস্ট (Lost) ও শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র Songs for a Country (একটি দেশের জন্য গান)। বাংলা চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কিংবদন্তি অভিনেতা আহমেদ শরীফ-কে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়। এছাড়া বাংলা চলচ্চিত্রের বিকাশে বিশেষ অবদান রাখার জন্য সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করে বায়োস্কোপ ফিল্মস, স্টার সিনেপ্লেক্স এবং জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘চরকি’। আয়োজকদের মতে, এই উৎসবের মূল লক্ষ্য কেবল চলচ্চিত্র প্রদর্শন নয়; বরং প্রবাসী নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বাংলা চলচ্চিত্রের একটি শক্ত সেতুবন্ধন তৈরি করা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলা সিনেমার অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করা। প্রথম আসরের অভাবনীয় সাফল্যের পর দর্শক, নির্মাতা ও শিল্পীদের প্রত্যাশা—আগামী বছর আরও বড় পরিসরে এবং আন্তর্জাতিক অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে এই উৎসব বাংলা চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
০৪ আগস্ট, ২০২৬
নিউ ইয়র্ক বাংলা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের প্রথম আসরে থাকছে জায়েদ খানের চমক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুশকিন দিবস ও রুশ ভাষা দিবস উদযাপন
রাশিয়া দিবসে ঢাকায় সাংস্কৃতিক মেলা, প্রদর্শনী ও আন্তর্জাতিক কনসার্টের আয়োজন

রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকায় রুশ ঐতিহ্য আবিষ্কার: মাতরিয়োশকা ডল পেইন্টিং মাস্টার ক্লাস অনুষ্ঠিত

রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকায় রুশ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পের সঙ্গে অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় করিয়ে দিতে এক প্রাণবন্ত ও সৃজনশীল মাতরিয়োশকা ডল পেইন্টিং মাস্টার ক্লাসের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় সেরোভ একাডেমী অব ফাইন আর্টসের সহযোগিতায়। সেরোভ একাডেমী অব ফাইন আর্টসের সদস্যসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী এই সৃজনশীল কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা প্যাস্টেল, জলরং ও পোস্টার কালারের মাধ্যমে ঐতিহ্যবাহী রুশ মাতরিয়োশকা পুতুল রঙ করার কৌশল শিখেন। পুরো কর্মশালাজুড়ে ছিল প্রাণবন্ত ও অনুপ্রেরণাময় পরিবেশ, যেখানে শিক্ষার্থীরা আনন্দের সঙ্গে নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশের পাশাপাশি মাতরিয়োশকা পুতলের ইতিহাস, প্রতীকী তাৎপর্য এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পারেন। এই ব্যতিক্রমধর্মী মাস্টার ক্লাসটি সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে, যা সৃজনশীল শিক্ষার প্রসারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।

“ফ্রেমস অব মেমোরি” চলচ্চিত্র উৎসবে মুগ্ধ বাংলাদেশের হাজারো শিক্ষার্থী

রাশিয়ান হাউস ইন বাংলাদেশ সফলভাবে সমাপ্ত করেছে তাদের ব্যতিক্রমধর্মী সপ্তাহব্যাপী চলচ্চিত্র প্রদর্শনী “মস্কো থেকে বাংলাদেশ: ফ্রেমস অব মেমোরি” । মহান বিজয় দিবসের ৮১তম বার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে গত ১৪ মে শুরু হওয়া এই বৃহৎ চলচ্চিত্র উৎসব আজ সমাপ্ত হয়েছে। উৎসবটি দেশের বিভিন্ন জেলার অসংখ্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক এবং চলচ্চিত্রপ্রেমীদের গভীরভাবে আকৃষ্ট করেছে। রাজধানী ঢাকার বাইরেও আয়োজন সম্প্রসারণের মাধ্যমে উৎসবটি জাতীয় পরিসরে ব্যাপক সাড়া সৃষ্টি করে। ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউস অডিটোরিয়ামে প্রতিদিনের প্রদর্শনীর পাশাপাশি বিশেষ বৃহৎ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয় কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (CBIU)এবং এবং ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (DIU) এ। দর্শকদের জন্য প্রদর্শিত হয় সোভিয়েত চলচ্চিত্রের কালজয়ী সব সৃষ্টি, যার মধ্যে ছিল “ব্যালাড অব আ সোলজার”, “কাম অ্যান্ড সি”, “ইভানস চাইল্ডহুড”, “দে ফট ফর দেয়ার কান্ট্রি” এবং সমাপনী প্রদর্শনীতে ছিল “দ্য ক্রেইন্স আর ফ্লাইং” । প্রতিটি ভেন্যু প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়, যেখানে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম মহান দেশপ্রেমিক যুদ্ধের গভীর ইতিহাস, চলচ্চিত্র শিল্পের নবতর উদ্ভাবন এবং মানবিক দৃঢ়তা ও শান্তির অভিন্ন মূল্যবোধ সম্পর্কে নতুনভাবে জানার সুযোগ পায়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের অংশীদার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ধারাবাহিক সহযোগিতা ও আন্তরিক প্রচেষ্টা দুই দেশের সংস্কৃতিকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাশিয়ান হাউসের আয়োজনে ঢাকায় চলচ্চিত্র উৎসব শুরু

আজ ৮১তম রাশিয়ান বিজয় দিবস উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসব “ ফ্রেমস অব মেমোরি : ফ্রম মস্কো টু বাংলাদেশ”-এর উদ্বোধন করেছে ঢাকায় রাশিয়ান হাউস। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রুশ ভাষার শিক্ষার্থী, বৃত্তিপ্রত্যাশী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। ইতিহাস সংরক্ষণ এবং চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক সংলাপকে আরও সমৃদ্ধ করাই এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য। অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য প্রদান করেন আলেকজান্দ্রা খ্লেভনই। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত লাখো মানুষের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে যুদ্ধের ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইতিহাস ও মানবিক মূল্যবোধ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে চলচ্চিত্র একটি শক্তিশালী মাধ্যম। এরপর অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রদর্শিত হয় কিংবদন্তি সোভিয়েত চলচ্চিত্র 'ব্যালাড অব অ্যা সোলজার'-এর উপর একটি মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এবং পরবর্তীতে চলচ্চিত্রটির পূর্ণ প্রদর্শনী। যুদ্ধের বিভীষিকার মধ্যেও মানবিক সাহস, ত্যাগ এবং অনুভূতির শক্তিকে গভীরভাবে তুলে ধরে এই চলচ্চিত্রটি দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে তোলে। আগামী ২১ মে পর্যন্ত চলমান এই উৎসবে সোভিয়েত ও যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের নির্বাচিত চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে, যেখানে ইতিহাস ও শিল্পমানের অসাধারণ সমন্বয় দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হবে। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন যে, এই চলচ্চিত্র উৎসব বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিশ্ব চলচ্চিত্র এবং যৌথ ঐতিহাসিক স্মৃতির প্রতি আগ্রহ ও বোঝাপড়া আরও গভীর করবে।