
চলচ্চিত্র সাংবাদিকতায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার ২০২৬ পেয়েছেন মাহমুদা চৌধুরী। চলচ্চিত্র পরিচালনায় অবদানের জন্য একই পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন। প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুন প্রবর্তিত এই পুরস্কার আজ চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেকা ফেরদৌসী। স্বাগত বক্তব্য দেন সাংবাদিক আবদুর রহমান। এ সময় প্রয়াত ফজলুল হকের জীবন ও কর্ম নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন চলচ্চিত্র পরিচালক মতিন রহমান, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, প্রযোজক হাবিবুর রহমান খান, অভিনেত্রী ও নির্মাতা আফসানা মিমি, পরিচালক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, আনন্দ আলো সম্পাদক রেজানুর রহমান, বাচসাসের সাবেক সভাপতি রাজু আলীম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগের চেয়ারম্যান সাইয়িদ শাহজাদা আল কারিমসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, ফজলুল হক ছিলেন স্বপ্নদ্রষ্টা একজন মানুষ। দেশ ও চলচ্চিত্রের উন্নয়নে নতুন নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করতেন তিনি। তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করেই দেশের চলচ্চিত্র পরিচালনা ও সাংবাদিকতা এগিয়ে যাচ্ছে। তাঁর অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপরও গুরুত্ব দেন তাঁরা।
অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, চলচ্চিত্র ও ফটোগ্রাফি বিভাগে ফজলুল হক বৃত্তি চালু করা হয়। একই বিভাগে ফজলুল হককে নিয়ে আয়োজিত প্রবন্ধ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকারী শুভ সেনকে ক্রেস্ট ও অর্থমূল্য দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।
উল্লেখ্য, দেশের প্রথম চলচ্চিত্রবিষয়ক পত্রিকা ‘সিনেমা’র সম্পাদক এবং বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘সান অব পাকিস্তান’ (প্রেসিডেন্ট)-এর নির্মাতা প্রয়াত ফজলুল হকের স্মরণে গত ২৩ বছর ধরে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
Comments