
দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটি’র নেতা পরিচয়ে জমি ও স্থাপনা জবরদখলের চেষ্টা, মিথ্যা হামলা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ করেছেন নূরুল হাসান নামে এক ব্যাংকার।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নূরুল হাসান বলেন, ২০১৭ সালে সারোয়ার অদুদ চৌধুরীর কাছ থেকে ৬ কাঠা জমি কেনার বিষয়ে চুক্তি হয়। এর আওতায় ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে ৫ লাখ, ২০ ডিসেম্বর ১০ লাখ এবং ৮ মে ২০১৮ তারিখে আরও ৫ লাখ টাকা মোট ২০ লাখ টাকা বায়না দেয়া হয়। পরে প্রস্তাবিত জমিতে সমস্যা রয়েছে জানালে সারোয়ার অদুদ চৌধুরী তা সমাধানের আশ্বাস দেন বলে দাবি করেন তিনি।
পরবর্তীতে সারোয়ার অদুদ চৌধুরী স্ত্রী হালিমা অদুদ চৌধুরীকে সঙ্গে নিয়ে তার বাসায় গিয়ে স্ত্রীর নামে থাকা তিন কাঠা নিষ্কণ্টক জমি বিক্রির প্রস্তাব দেন। আলোচনার পর ৫৮ লাখ টাকায় জমিটি কেনার বিষয়ে সম্মতি হয় এবং ১৭ মে ২০১৮ তারিখে রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়। নূরুল হাসানের দাবি, সারোয়ার অদুদ চৌধুরী নিজে উপস্থিত থেকে একই দাগের ৩৪৪ ও ১০৬ নম্বর অংশ মিলিয়ে ০.৪৫০ অযুতাংশ জমি দুই খণ্ডে শনাক্ত করেন এবং দলিলে শনাক্তকারী হিসেবে স্বাক্ষর করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, ৬ কাঠা জমির বায়না বাবদ দেয়া ২০ লাখ টাকা ফেরত না দিয়ে সেখানে ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দেয়া হয়েছে। টাকা ফেরত চাইলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, চাপ, হামলার চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি ‘দুর্নীতি বিরোধী জাতীয় সমন্বয় কমিটি’র ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করে তাকে ব্যাংকের শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎকারী, বিদেশে অর্থ পাচারকারী ও কিশোর গ্যাংয়ের পৃষ্ঠপোষক বলা হয়েছে। নূরুল হাসান এসব বক্তব্যকে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর বলে প্রতিবাদ জানান।
তিনি বলেন, সারোয়ার অদুদ চৌধুরী তাকে চেনেন না বললেও তার কাছে থাকা স্ট্যাম্প বায়না, ব্যাংকের নথি, দলিল, নামজারি ও খাজনার কাগজপত্র তাদের পূর্বপরিচয় ও লেনদেনের প্রমাণ বহন করে।
পাশাপাশি নিরপেক্ষ তদন্ত, নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং বায়না বাবদ ২০ লাখ টাকা ফেরতের দাবি জানান নূরুল হাসান। এব্যাপারে সারোয়ার অদুদ চৌধুরী তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
Comments