শুক্রবার, ০৮ মে, ২০২৬
Friday, 08 May, 2026

আবদুল গাফফার চৌধুরীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা ডিপ্লোমেট ডটকম
  19 May 2024, 13:08
বরেণ্য লেখক-সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরী...............................ছবি: সংগৃহীত

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ অমর এই গানের রচয়িতা  বরেণ্য লেখক-সাংবাদিক আবদুল গাফফার চৌধুরীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। 

তিনি ২০২২ সালের ১৯ মে লন্ডনের একটি হাসপাতালে মারা যান। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত সাত দশকের বেশি সময় ধরে দুই হাতে লিখে গেছেন। তার এই লেখার বেশিরভাগই ছিল রাজনৈতিক ভাষ্য। 

যথাযোগ্য মর্যাদায় তাঁর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী পালন করার উদ্যোগ নিয়েছে আব্দুল গাফফার চৌধুরী স্মৃতি সংসদের জাতীয় কমিটি।

কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে আজ (রোববার) বেলা ১১টায় মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আব্দুল গাফফার চৌধুরীর কবরে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন ও মোনাজাত, বেলা ৩টায় শিল্পকলা একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে তার জীবনভিত্তিক চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শফিকুর রহমান চৌধুরী, বিকাল ৪টায় একই মিলনায়তনে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। এতে সমবেত কণ্ঠে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি.., পলাশী থেকে ধানমণ্ডি নাটকের খণ্ডাংশ পরিবেশনা, আলোচনা ও স্মৃতি তর্পন করা হবে।

সারাদেশে ও প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক-অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের সমর্থকদের দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করার অনুরোধ জানিয়েছেন আব্দুল গাফফার চৌধুরী স্মৃতি সংসদ জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সদস্য সচিব সৈয়দ সামাদুল হক।

২০০৬ সালে বিবিসি বাংলার শ্রোতাদের বিচারে যে সর্বকালের সেরা বাংলা গান বলে যে ২০টি গানকে নির্বাচিত করেছিলেন, তার তিন নম্বরে ছিল এটি। কালজয়ী এই গান বাংলা ভাষায় তো বটেই বিশ্বের ১২টি ভাষায় এখন গাওয়া হয়।  একুশের গান রচনা গাফফার চৌধুরীর জীবনের অন্যতম একটি ঘটনা। 

গাফফার চৌধুরীর জন্ম ১৯৩৪ সালের ১২ ডিসেম্বর। বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ থানার উলানিয়া গ্রামে। মায়ের নাম জোহরা খাতুন। বাবা ওয়াহেদ রেজা চৌধুরী বরিশাল জেলা কংগ্রেসের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। 

গাফফার চৌধুরী ১৯৫০ সালে ম্যাট্রিক পাস করে ভর্তি হন ঢাকা কলেজে। ১৯৫৩ সালে তিনি ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৮ সালে বিএ অনার্স পাস করেন। 

একাত্তরের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় তিনি ‘জয় বাংলা’, ‘যুগান্তর’ ও ‘আনন্দবাজার’ পত্রিকায় কাজ করেছিলেন।

স্বাধীনতার পর, ১৯৭৪ সালের ৫ অক্টোবর স্ত্রীর চিকিৎসার জন্য তিনি সপরিবারে লন্ডনে চলে যান। সেখানে ‘নতুন দিন’ নামে একটি পত্রিকা বের করেন। প্রায় ৩৫টি বই লিখেছেন তিনি। 

কাজের স্বীকৃতির জন্য জীবনে অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন গাফফার চৌধুরী। উল্লেখযোগ্য হল, বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৭), একুশে পদক, ইউনেস্কো সাহিত্য পুরস্কার এবং স্বাধীনতা পদক (২০০৯)।
 

Comments

  • Latest
  • Popular

‘অবৈধ বাংলাদেশিদের’ ফেরত পাঠাতে ঢাকার সহযোগিতা চায় ভারত

গ্রেপ্তার থাকা সাংবাদিকদের কারো কারো মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় আছে: জাহেদ উর রহমান

বাংলাদেশ–ভারতের সম্পর্কের অগ্রগতি ধরে রাখতে শ্রদ্ধা ও বোঝাপড়া জরুরি

স্পোর্টস এবং কালচার উইং চালু করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: শামা ওবায়েদ

বাংলাদেশ–ভারত ভিসা কার্যক্রম পুরোদমে চালু হচ্ছে

কূটনীতিতে 'Accord' বা ' স্বীকৃতি বা অনুমতি প্রদান; আপস মীমাংসা' বলতে কি বুঝায়?

বিদেশে নিযুক্ত নয় মিশনপ্রধানের সচিব পদে পদোন্নতি

সার্ক শক্তিশালী হলেই, শক্তিশালী হবে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি: নজরুল ইসলাম খান

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশিদের ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি মূল্যের সম্পদ জব্দ

দিনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতের নতুন হাইকমিশনার নিয়োগ

১০
গ্রেপ্তার থাকা সাংবাদিকদের কারো কারো মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় আছে: জাহেদ উর রহমান
জুলাই হত্যা মামলার অভিযোগে কারাগারে থাকা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট হত্যা মামলা দেওয়া বা তাদের গ্রেপ্তার
৫ দফা দাবিতে বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সংবাদ সম্মেলন
আসন্ন বাজেটে বিড়ি শিল্পে শুল্ক বৃদ্ধি না করা, বিড়ি ও সিটারেটের অগ্রিম আয়করের বৈষম্য দূর
বর্ষবরণ: ১৪৩৩ / বৈশাখী উৎসবে মুখর জনজীবন
পুরোনোকে বিদায় জানিয়ে বাঙালি বরণ করে নিয়েছে নতুন বছর ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। এবার পয়লা বৈশাখে নববর্ষের
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ–সংক্রান্ত সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী বিল পাস
সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি বা সত্তার কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে