তিন রুশ কূটনীতিককে মলদোভা ছেড়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশটির সরকার। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা ক্রেমলিনপন্থি মলদোভার এক আইনপ্রণেতাকে কারাভোগ করা থেকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছেন।
মলদোভার এই পদক্ষেপের পর পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছে মস্কো।
মলদোভার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গতকাল সোমবার রাশিয়ার দূতাবাসের ওই তিন কর্মীকে বরখাস্ত করেছে। বার্তা আদান–প্রদাণের অ্যাপ টেলিগ্রামে নিজেদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানাতে গিয়ে শুরুতেই বলেছে, ‘কূটনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কর্মকাণ্ডের স্পষ্ট প্রমাণ থাকার ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’
মলদোভার এই পদক্ষেপের দ্রুত জবাব দিয়েছে মস্কো। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরআইএ নভোস্তির খবর অনুযায়ী, রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা পাল্টা পদক্ষেপ নেবে।
সোমবার মলদোভার একটি অভিযোগের জেরে প্রতিবেশী রাশিয়ার সঙ্গে দেশটির নতুন করে এই কূটনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়েছে। মলদোভার অভিযোগ, সে দেশের রুশ দূতাবাস মলদোভার একজন আইনপ্রণেতাকে রাশিয়া-সমর্থিত দেশটির বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল ট্রান্সনিস্ত্রিয়ায় পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে।
দুর্নীতির অভিযোগে দোষীসাব্যস্ত হওয়ার পর ওই আইনপ্রণেতাকে কারাদণ্ডের সাজা দেওয়া হয়েছিল।
ওই আইনপ্রণেতার নাম আলেকজান্ডার নেস্তেরোভস্কি। মলদোভার গোয়েন্দা সংস্থা একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ১৮ মার্চ নেস্তেরোভস্কি মলদোভায় রাশিয়ার দূতাবাসে প্রবেশ করছেন। তার পরদিন একটি আদালত নেস্তেরোভস্কিকে ১২ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেয়। নেস্তেরোভস্কি তাঁর বিরুদ্ধে আনা দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
Comments